যে কোনো মূল্য দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ী করার জন্য দেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের। আজ থেকে আমরা স্বাধীন।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচনোত্তর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
দেশ গড়তে ঐক্যের ডাক দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এবার দেশ গড়ার পালা। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, আর বিভাজন দুর্বলতা। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং এ দেশের মানুষের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রধান্য দিয়ে আমরা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করব। আর জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।
তারেক রহমান বলেন, আমরা শান্তভাবে বিজয় উদ্যাপন করেছি। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আমি দল এবং জোটের নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিল করতে নিষেধ করেছি। আমরা দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে বিজয়ের শুকরিয়া আদায় করেছি।
আরেক প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যর্পণ আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বাচনের আগে ইশতেহারের মাধ্যমে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, নতুন সরকারের কাছে মানুষ শান্তি ও স্বস্তি চায়।
নতুন সরকারের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ, আঞ্চলিক কূটনীতি, অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমান বলেন, আমরা বলেছিলাম জনগণের রায় পেলে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা উপস্থাপন করবে। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এবং দেশের জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ৩১ দফা সংস্কার প্রণয়ন করা হয়, যা দলের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল। একই সঙ্গে কিছু বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে বিএনপি জুলাই সনদেও সই করেছিল।







