ঢাকাশুক্রবার , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
    • অন্যান্য

    পাবনায় বিএনপির পক্ষে নির্বাচন করায় বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

    গণচিত্র ডেস্ক
    ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ

    পাবনার আটঘরিয়া ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনে কাজ করায় এক আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে ফলাফল ঘোষণার পর উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের শ্রীকান্তপুর গ্রামে নির্বাচনের রাতেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    স্থানীয়রা জানান, শ্রীকান্তপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ খাঁ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ধানের শীষের ভোট করেন।

    পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের আটঘরিয়া উপজেলার শ্রীকান্তপুর গ্রামে একটি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর ওই ভোট কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পরাজিত হন।

    হামলার শিকার আব্দুল লতিফ খাঁ বলেন, শ্রীকান্তপুর কেন্দ্রে পরাজিত হওয়ার খবর পেয়ে রাত ১২টার দিকে তার পাবনা তার বাড়িতে হামলা চালায়। জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা জহুরুল ইসলামের ভাতিজা পলাশের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জনের একদল লোক হামলায় অংশ নেয়। হামলাকারীরা বাড়িঘরে ঢুকে দরজা-জানালা, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

    অভিযোগ রয়েছে, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা ও ভাঙচুরের পর লুটপাট চালিয়ে যাওয়ার সময়ে স্থানীয় বিএনপির দলীয় কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরে ঘটনা ঘটায়।

    এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

    সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা দাবি করে ওসি বলেন, হামলার শিকার ব্যক্তিকে অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ পেলে ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা জহুরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।