ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ বা আপ বাংলাদেশ নামে একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে ওঠে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর। তরুণদের এই প্ল্যাটফর্ম ঘিরে আশা দেখছিলেন অনেকে। প্ল্যাটফর্মের নেতারাও জানিয়েছিলেন এটি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে যাত্রা শুরু করবে। কিন্তু মাত্র ৯ মাস না পেরোতে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ফাটল। রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম শুরু করা-না করা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ।
সূত্র বলছে, এ অবস্থায় শিগগিরই আপ বাংলাদেশ ভেঙে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে। আর সেটি হলে এই প্ল্যাটফর্মের কেউ কেউ নতুন দলে না গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন।
ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ আর দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ২০২৫ সালের ৯ মে আত্মপ্রকাশ করে আপ বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলী আহসান জুনায়েদের নেতৃত্বে ৮২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আরেফিন মুহাম্মদ হিজবুল্লাহকে সদস্য সচিব, রাফে সালমান রিফাতকে প্রধান সমন্বয়কারী এবং নাঈম আহমাদকে করা হয় প্রধান সংগঠক। মুখপাত্র করা হয় শাহরিন ইরাকে। প্ল্যাটফর্মটির আত্মপ্রকাশের পর দেশের ৫২ জেলায় দেওয়া হয় আহ্বায়ক কমিটি। এ ছাড়া চারটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সবকটি মহানগরে আহ্বায়ক কমিটি দেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এরই মধ্যে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় আগামী মার্চের শেষের দিকে কাউন্সিলের কথা ভাবছে সংগঠনটি।
জানা গেছে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতি হিসেবে ফিজিবিলিটি টেস্ট বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ১০ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছেন নাঈম আহমাদ। এ ছাড়া চূড়ান্ত করা হয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। এর মধ্যে রয়েছে– গণভোটের রায় কার্যকরে জনমত তৈরি, জুলাই গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবিরোধী গণআন্দোলন, পুলিশ সংস্কার ও মেয়াদ শেষ হওয়া সাপেক্ষে সব কমিটি বিলুপ্ত করা।
সুত্র: ঢাকা পোস্ট







