ছলনার আশ্রয় যদি ধর্ম হয় তবে ছলনাও ধর্ম। ঠিক তেমনি কোন ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য যদি কোন অধর্মও করতে হয় তাহলে সে অধর্মও প্রকৃতপক্ষে ন্যায়ই ।
বলা হয়ে থাকে,
“ছলনার আশ্রয় যদি ধর্ম হয় তাহলে ছলনাও ধর্ম”।
ঠিক তেমনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানও ছিল এরকম একটি রক্তক্ষয়ী ঘটনা ।
তাছাড়া সংবিধানে নেই এরকম দোহাই দেয়ার কোন সুযোগও সে অভ্যুত্থানের সময ছিল না ।
একমাত্র লক্ষ্য ছিল জনমুক্তি আর উদ্দেশ্য ছিল ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা । পুরনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো তছনছ করে দিয়া জনগণের আকাঙ্ক্ষার আলোকে গণভোটের মাধ্যমে রায় নিয়ে নতুন সংবিধান রচনা করা আর সে লক্ষ্যে গত ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সে গণভোট নেয়াও হয়েছে যেখানে গণভোটে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে ।
সুতরাং একটি মীমাংসিত ইস্যুকে যারা হাইকোর্টে নিয়ে গিয়ে ৭২ সালের সেই পচা ভিনদেশী সংবিধান নিয়ে এসে বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে তাদের উদ্দেশ্য সহজেই বোঝা যায় ।
তারা আসলে বাংলাদেশকে সার্ভ করে না তারা পার্শ্ববর্তী কোন একটি দেশকে সার্ভ করে । তারা এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব চায় না তারা চায় নতজানু এক পরাধীন রাষ্ট্র ।
আমরা চিরদিন তাদের পুতুল হয়ে নেচেছি, দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়েছি ।
নিজেদের মধ্যে কোন ঐক্য নেই , নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা নেই । নিজেরা নিজেদের
স্বার্থ বুঝি না ।
শুধুমাত্র নিজেদের দোষটাই চোখে পড়ে আর যে বলছে আমরা দুর্নীতিবাজ ।
আমরা কি তাদের বিষয়ে তদন্ত করে দেখেছি??
যে তারা আমাদের চেয়ে কতটা জঘন্য !!
আপনার কি জানেন ?পৃথিবীতে আদি থেকে এ পর্যন্ত 104 খানা আসমানী কিতাব মহান রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে যুগে যুগে নাযিল হয়েছে ।
আর এই ১০৪ খানা কিতাব-ই একজন মাত্র ব্যক্তি পুরোপুরি মুখস্ত রেখেছেন তিনি হলেন শয়তান ।
ঠিক তেমনি এই যুগেও কিছু এরকম জ্ঞান পাপী এবং শয়তানের উত্তরসূরী রয়েছে যারা এরকম আইনের দোহাই দিয়ে জনগণের কন্ঠকে রোধ করতে চায় । জনদাবি উপেক্ষা করতে চায় ।
আমরা কি তাদের হাতের পুতুল হয়ে এখনো থাকবো ! নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় অগ্রগামী হবো ?
সংবিধানের জন্য জনগণ নাকি জনগণের জন্য সংবিধান ।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে শেখ হাসিনা যে দৃশ্যপট এবং আইন কানুন করেছিল তাতে বৈধ প্রক্রিয়ায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কোন উপায় ছিল না । ঠিক যেমন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘটনার প্রেক্ষাপট ছিল সেই একই প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার পতন হয়েছে ।
আর নয় এসব জ্ঞান পাপীদের জ্ঞানের খেলা ।
সোজা সাপটা জনগণের বাংলাদেশ চাই যেখানে কে কোন ধর্মের কে কোন দলের কে কোন আদর্শের কে কালো কে ফর্সা এসব বিবেচনা হবে না বিবেচনা হবে শুধু ন্যায়, ইনসাফ আর সুবিচার । প্রকৃত অপরাধী যে দলের হোক সে সাজে পাবে আর নিজ দলের লোক নয় কিন্তু সে নিরপরাধ সে মুক্তি পাবে আর এটাই জুলাইয়ের স্পিরিট।হাইকোর্টের ঘাড়ে বন্দুক রেখে এসব ভাওতাবাজি আর চলতে দেওয়া হবে না। জনগণ তার ন্যায্য হিস্যা ঠিক সময়ে বুঝে নেবে ।







